হাইকোর্টের নির্দেশের পরও মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর  ওঠা-নামা বন্ধ হচ্ছে না। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছেন যাত্রীরা। বিশ্লেষকদের মত, ফ্লাইওভারটি গণপরিবহনের ব্যবহার উপযোগী নয়।

২০১৭ সালের ১০ জুলাই গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী রুটের মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে স্থাপন করা সিঁড়ি অপসারণে ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ফ্লাইওভারের ওপর যাতে বাস থামানো না হয় নির্দেশনা দেয়া হয় সে বিষয়েও।সিঁড়ি অপসারণ হলেও বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ হয়নি। গুলিস্তান, রাজধানী সুপার মার্কেট এবং সায়েদাবাদ-এই তিন পয়েন্টে বাস যাত্রীরা ফ্লাইওভারে ওঠা-নামা করছে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকলেও মানছেন না কেউ। এসব চলছে নিরাপত্তা কর্মীর সামনেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্লাইওভারটি গণপরিবহনের ব্যবহার উপযোগী নয়। বাস-বে না থাকায় যাত্রী ওঠা-নামারও সুযোগ নেই।পুলিশ বলছে, ফ্লাইওভারের ওপর কোনো ট্রাফিক পুলিশ থাকে না। তবে, এরপরও যানবাহন থামানোর অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেন তারা।

দক্ষিণ ঢাকার মেয়র জানিয়েছেন, ফ্লাইওভারের ওপর বাস থামানো বন্ধে বেশ কয়েকবার কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।নির্মাণ শেষে ২০১৩ সালে অক্টোবরে উদ্বোধন হয় মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার। এই প্রকল্পে খরচ হয় চার হাজার ৮৬ কোটি টাকার বেশি।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে