প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও হাসপাতালে অনুপস্থিত ৪৩ ভাগ চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারী। এর আগে অনুপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৫০ ভাগ। অনেকে কর্মস্থলে আসেন না দীর্ঘ দিন। কেউ কেউ হাসপাতাল ফাঁকি দিয়ে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখেন।
ফলে সেবা বঞ্চিত রোগীরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিজস্ব বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতের এই চিত্র উঠে আসে। —
২৭ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টা। লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে বুকে ব্যথা নিয়ে আসেন কৃষক বাবুল মিয়া। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হৃদরোগ বিভাগে স্থানান্তর করেন। কিন্তু হৃদরোগ বিভাগের চিকিৎসক ভবানী প্রসাদকে হাসপাতালে তার কক্ষে পাওয়া গেল না। ফোন করলে তিনি জরুরি মিটিংয়ে আছেন বলে ফোন কেটে দেন, অভিযোগ রোগীর স্বজনের। এরিমধ্যে পেরিয়ে যায় চল্লিশ মিনিট। ততক্ষণে মারা গেছেন রোগী। পরে দুইশ গজ দুরেই একটি ক্লিনিকের ব্যক্তিগত চেম্বারে পাওয়া গেল ডা. ভবানী প্রসাদকে। তখন তিনি রোগী দেখছিলেন।

ফরিদপুর সরকারি মেডিকেলের সহযোগী অধ্যাপক শাফেয়া খানম। তিন বছর ধরে থাকছেন ঢাকায়। রোগী দেখেন একটি প্রাইভেট হাসপাতালে। জেলা সদর ও বিশেষায়িত হাসপাতালের চেয়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হাসপাতালের অবস্থা বেশি নাজুক। ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগের সাত দিন এ সব হাসপাতালে উপস্থিতি ছিল ৫১ ভাগ। আর পরের সাত দিনে তা বেড়ে হয় ৫৭ ভাগ। তারপরও অনুপস্থিত ৪৩ ভাগ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, চিকিৎসকদের কর্মস্থলে পরিবেশের উন্নতি ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।তারপরও অনুপস্থিত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপস্থিতি নিশ্চিতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রতি বিভাগে মনিটরিং সেল গঠন হচ্ছে। সেখান থেকে তদারক করা হবে প্রতিদিনের স্বাস্থ্যসেবা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














