চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের প্রথম দিনে ছোট-বড় ৮০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সকালে, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নদীর সদরঘাট থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ছাপড়া থেকে শুরু করে বহুতল ভবন। তিনটি ধাপে কর্ণফুলীর দুই পাড়ের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, হুমকি দেয়া সত্ত্বেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। কর্ণফুলী নদী বাঁচাতে নদীর দুই তীর দখল করে গড়ে ওঠা ২ হাজার ১৮১ টি স্থাপনা উচ্ছেদে ২০১৬ সালের ১৬ আগষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। তবে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়াসহ নানা জটিলতায় এতোদিন সে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলেও সোমবার সকাল থেকে কর্ণফুলীর দুই তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করে জেলা প্রশাসন। প্রথম দিন নদীর সদরঘাটের উত্তর পাড় এলাকা থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত ছোট-বড় মিলিয়ে ৮০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

পতেঙ্গা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার তাহমিলুর রহমান ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এই অভিযানে অংশ নেয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, সিডিএ, ফায়ার সার্ভিস, কণর্ফুলী গ্যাস কর্তৃপক্ষ, বিআইডব্লিউটিএ এবং র্যাব ও পুলিশ।

এদিকে, সোমবার দুপুরে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। প্রভাবশালীদের কাছ থেকে হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এই অভিযান চলবে।

এদিকে, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হওয়ায় খুশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ। তবে, উচ্ছেদের পর আবার যেন দখল না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখার দাবি তাদের। দখলমুক্ত করার পর কর্ণফুলির নাব্যতা ফিরিয়ে আনা ও তীরের সৌন্দর্য্যবর্ধন করার মতো বিষয়ে পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














