বিশ্বে অনলাইনভিত্তিক লেনদেনের জনপ্রিয় মাধ্যম পেপালের পূর্ণাঙ্গ সেবা পাচ্ছেন না দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। জুম সেবার মাধ্যমে এখন বিদেশ থেকে টাকা আনা গেলেও, পেপাল না থাকায় দূর হচ্ছে না ভোগান্তি। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের দাবি, পেপালের পূর্ণাঙ্গ সেবা আনতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
তরুণদের অনেকেই এখন প্রচলিত চাকরির বাইরে বেছে নিচ্ছেন ফ্রিল্যান্সিং। ঘরে বসে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ করে অর্থ উপার্জন করছেন তারা। দেশে বর্তমানে ফিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় লাখ। দিন দিন এই খাত বড় হলেও উপার্জিত অর্থ সহজে এবং সরাসরি হাতে পেতে রয়েছে জটিলতা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবেশি দেশগুলোতে পেপাল থাকলেও বাংলাদেশে এ সেবা না আসায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং খাত। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জানান, কিছু জটিলতায় দেশে পেপালের সেবা চালু হওয়ার বিষয়টি আটকে আছে। এগুলো নিরসনের চেষ্টা করছে সরকার। শিগগিরই পেপাল এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেবে বলেও আশাবাদী প্রতিমন্ত্রী।
গত ১০ বছরে আড়াই কোটি থেকে আশি কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে দেশের আউট সোর্সিং খাতের আয়। চলতি বছর যা একশো কোটি ডলার ছড়াবে বলে আশা করছে সরকার।
নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ














