শহরে নগরে এখন ছাদ বাগানের ধারনা বেশ জনপ্রিয়। ইট পাথরের নগরে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষ ঝুঁকছেন প্রকৃতি আর সবুজের প্রতি, গড়ে উঠছে ছাদ বাগান। তবে এ জন্য কেবল শৌখিন আর প্রকৃতিপ্রেমী হলেই চলবে না, থাকতে হবে মাথার ওপর নিজের একখানা ছাদ।

ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দালান-কোঠা বাড়িঘর। অন্যদিকে কমছে ফাঁকা ও খোলা জায়গা, মাঠ গাছপালা। ফলে ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে এই শহরের তাপমাত্রা।

পরিবেশবিদরা বলছেন- বাতাসের কার্বনডাই অক্সাইডের প্রভাব কমাতে গাছের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। তবে নগরীতে মাটি বা গাছ লাগানোর মতো খোলা জায়গা নেই বললেই চলে। কিন্তু নগরজুড়ে সুরম্য অট্রালিকার ছাদগুলো অব্যবহৃতই থাকছে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন, এ ছাদগুলোতে গাছের বাগান একদিকে পরিবেশের তাপমাত্রা কমাতে যেমন ভূমিকা রাখতে পারে, তেমনি নিরাপদ খাদ্যের উৎসও হতে পারে ছাদ বাগান।

বেসরকারি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ঢাকার প্রায় ৩ লাখ ভবনের ৬০ শতাংশ ছাদই ফাঁকা। এর অধিকাংশই বাগান করার অনুপযোগী। তবে ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, মহাখালী ও উত্তরা এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ হাজার ভবনের মধ্যে এক হাজার ভবনের ছাদে বাগান পাওয়া গেছে বলে জানান পরিবেশ বিশেষজ্ঞ আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার।

ঢাকার ৩৬টি স্থানের তাপমাত্রা মেপে এই গবেষক তার প্রতিবেদনে বলেছেন, ঘনবসতিপূর্ণ মিরপুর, মতিঝিল বাণিজ্যিক ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে গাছ কম থাকায় তাপমাত্রা তুলনামুলক বেশি। আর এই ছাদ বাগান করতে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে