সিমের পর এবার মোবাইল ফোন নিবন্ধনের আওতায় আসছে। রাজস্ব ফাঁকি ও অবৈধ আমদানি বন্ধে এই উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তাদের তথ্যমতে, দেশে বছরে যত মোবাইল ফোন আমদানি হয় তার প্রায় ৩০ শতাংশই আসে কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে। তবে, মোবাইল ফোন নিবন্ধনের ফলে বাজারে অবৈধ, নকল ও নিুমানের হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে বলে মনে করছে বিটিআরসির কর্মকর্তারা।

এর আগে, মোবাইল ফোনের অপব্যবহার ঠেকাতে ২০১৫ সালে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিচায়পত্র দিয়ে সিম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে সরকার। এর তিন বছর পর সরকার মোবাইল ফোন নিবন্ধনের উদ্যোগ নেয়।

মোবাইল ফোন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এডিসন গ্র“পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শহীদ জানান, হ্যান্ডসেট নিবন্ধন শুরু হলে অবৈধ পথে মোবাইল সেট আসাও বন্ধ হবে বা কমে যাবে। এতে করে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। পাশাপাশি বৈধ মোবাইল ফোনের বাজার বাড়বে বলেও মনে করেন তিনি।

এদিকে, তিনটি ধাপে মোবাইল ফোনগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক জানান, নিবন্ধিত ফোন নম্বর দিয়ে গ্রাহক নিজেই নতুন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন করে নিতে পারবেন। আর এসব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষণ থাকবে।

বিটিআরসি জানায়, আমদানি করা ও দেশে উৎপাদিত হ্যান্ডসেটগুলোর ১৫ ডিজিটের স্বতন্ত্র আইএমইআই নম্বর নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার তৈরি হবে। এছাড়া, বিটিআরসি ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার বা ইআইআর এর খসড়া তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। মোবাইল নিবন্ধনের ফলে বাজারে অবৈধ, নকল ও নিুমানের হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে বলেও জানায় বিটিআরসি।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে