উৎপাদন ও সরবরাহ ভালো থাকার পরও বাড়ছে চালের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে সরু ও মোটা চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত। ঢাকার বাইরেও একই চিত্র। দাম বৃদ্ধির জন্য মিল মালিকদের অতি মুনাফার প্রবণতাকে দুষছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। আর বরাবরের মতো ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাত মিলারদের।

খাদ্য মন্ত্রাণালয়ের সবশেষ হিসেবে দেশে চালের মজুদ সাড়ে ১০ লাখ মেট্রিক টন। আমনের ফলনও ভালো। চাহিদা ও বিতরণ পরিকল্পনার তুলনায় মজুদ পর্যাপ্ত। তাই ঘাটতির শঙ্কা থেকে দাম বাড়ার কোন কারণ নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র উল্টো। বেড়েছে সরু ও মোটাসহ প্রায় সব ধরনের চালের দাম।

কুষ্টিয়া ও দিনাজপুরের মোকামগুলোতে নতুন বছরের শুরুতেই বাড়তি চালের দাম। মনপ্রতি ধানের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়লেও চালের দাম বেড়েছে ৫০ কেজির বস্তায় ২০০ টাকার বেশি। এজন্য উৎপাদন ও পরিবহনে বাড়তি খরচের কথা বলছেন মিলাররা। মিলে দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে। মোহাম্মাদপুর কৃষি মার্কেটে পাইকারি বাজারে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫১ থেকে ৫৩ টাকা কেজি দরে। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। আর আটাশ জাতের চাল ৩২ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

আমদানি করা স্বর্ণা জাতের চালের কেজি ৩১ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকায়। আর কারওয়ান বাজারের খুচরা বাজারে দাম আরো বেশি। এতে বিপাকে ক্রেতারা। সঠিক তদারকি না হলে চালের দাম স্বাভাবিক রাখা কঠিন হবে বলেও মনে করেন ক্রেতারা।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে