ভোলার লালমোহনের মানবেতর জীবনযাপন করছেন বেশ কয়েকটি সরকারি আবাসন ও আশ্রায়ণ প্রকল্পের সহায় সম্বলহীন বাসিন্দারা। সংস্কারের অভাবে দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে প্রকল্পের ঘরগুলো।সবচেয়ে বেশি নাজুক অবস্থা লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপির সোনালী আবাসন, সৈয়দাবাদ, পেয়ারী মোহন, ফাতেমাবাদ, ফাল্গুনি প্রকল্পগুলো। দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এসব আশ্রয়ণের বাসিন্দারা।
লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপির ভূমিহীন অসহায় দরিদ্র পরিবারের জন্য ১৯৯৮ ও ২০০৩ সালে সব ধরণের সুযোগ সুবিধাসহ ১০টি আবাসন ও আশ্রায়ণ প্রকল্প নির্মাণ করে সরকার। এসব প্রকল্পে ঠাঁই পেয়েছে পাঁচ শতাধিক সহায় সম্বলহীন পরিবার।তবে কয়েক বছর ধরে টানা ব্যবহারে কার্যক্ষমতা হারিয়েছে এসব প্রকল্পের টিউবওয়েল, টয়লেটগুলো। এছাড়া বসবাসের ঘরগুলোর অবস্থাও শোচনীয়। কিছু কিছু ঘরের চাল ফুটো হয়ে গেছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বসবাস করাই কঠিন হয়ে পড়েছে আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের।
সোনালী আবাসনের বাসিন্দা অঞ্জলী রাণী বলেন, আমরা এখানে প্রায় ১৫ বছর ধরে বসবাস করছি। এতো দিন কোনো সমস্যা হয়নি। গত ৩–৪ বছর ধরে বেশ কিছু অসুবিধা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি পড়ে। ভিজে যায় বিছানা–জামাকাপড়। এমনকি আমাদের টিউবওয়েলও নষ্ট। তাই অনেক দূর থেকে পানি আনতে হয়। টয়লেটগুলোরও করুণ অবস্থা। দ্রুত সমাধান না হলে এসব সমস্যা আরো ভয়াবহ আকারে দেখা দেবে।
লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, কয়েকটি আবাসনের বাসিন্দারা খুব কষ্টে আছে। আমি কয়েকবার কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
এব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, লর্ডহার্ডিঞ্জের কয়েকটি আবাসন আমি পরির্দশন করেছি। সেখানকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগের কথা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।পর্যাপ্ত বরাদ্দ পেলে আশ্রয়নগুলো মেরামত করা হবে।
ফয়সল বিন ইসলাম নয়ন,
ভোলা নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














