সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে দেশে সমন্বিত কোন নীতিমালা নেই। প্রযুক্তি নির্ভরতায় ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। তাই এ বিষয়ে সমন্বিত নীতিমালার পরামর্শ বিশ্লেষকদের। এছাড়া সাইবার হামলা মোকাবেলায় দক্ষ ও অভিজ্ঞদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর তাগিদ দিচ্ছেন তারা। সকালে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন বিশ্লেষকরা।

২০১৬ সালে হ্যাংকিং এর মাধ্যেম যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। যার বেশিরভাগ অর্থই চলে যায় ফিলিপাইনে। এখনও চুরি যাওয়া অর্থের পুরোটা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পর বাংলাদেশে ব্যাংকসহ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে বাড়ানো হয় সাইবার নিরাপত্তা।

তবে এখনো সাইবার হামলা মোকাবিলায় তেমন কোনো প্রস্তুতি নিতে পারেনি দেশের ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান।আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও অন্যান্য খাতে প্রতিনিয়ত শত শত সাইবার আক্রমণ হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে সাইবার হামলা মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

সাইবার হামলা মোকাবেলায় দেশে দক্ষ জনবলের অভাব আছে বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন প্রযুক্তি ব্লক চেইনের মাধ্যমে সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে জানান তারা।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে