মোবাইল ব্যাংকিং, রাইড শেয়ারিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপসসহ নানা মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা লঙ্ঘন হচ্ছে। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিসিএ ফাউন্ডেশন)।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৩ (খ) নম্বর অনুচ্ছেদে প্রাইভেসি রাইটস বা ব্যক্তির তথ্য সুরক্ষা ও গোপনীয়তা মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৬ (১) ধারা অনুযায়ী, আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া কারো ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, বিক্রয়, দখল, সরবরাহ বা ব্যবহার করা অপরাধ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণা (অনুচ্ছেদ ১২) নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সনদ (অনুচ্ছেদ ১৭), জাতিসংঘের কনভেনশন অন মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স (অনুচ্ছেদ ১৪) এবং শিশু অধিকার সনদ (অনুচ্ছেদ ১৬)-এ প্রাইভেসিকে অধিকার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের কোনো আইনে নাগরিকের তথ্য সুরক্ষার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনাই নেই। এখন সময় এসেছে তথ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের। এটি এখন অনিবার্য। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হতে পারে ব্যবহারকারীরা।

শান্ত খান,
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে