কৃষকের জন্য সবজির ভালো ফলনই শেষ কথা নয়। যথা সময়ে পণ্য বিক্রি করতে না পারলে ঘরে লাভ উঠে না। গবেষণা বলছে, অপরিকল্পিত ফসল উত্তোলন ও বাজারজাতকরণের কারণে প্রতি বছরই নষ্ট হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার সবজি। এই অপচয় রোধের উপায় খুঁজতে চলছে চেষ্টা।

কেবল শীত মৌসুম নয়, গ্রীষ্মেও সবজি চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে চাষিদের মধ্যে। ফসলের মাঠে পরিচর্যা আর বাজারে ফসল নিয়ে আসার ব্যস্ততা এখন বছর জুড়েই।

সবজি উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এখন তৃতীয়। তবে ভালো উৎপাদনের পরও হতাশা রয়ে যায় চাষির মধ্যে। কারণ ফসলের পুরোটা বিক্রি হয় না। ফসল তুলে বাজারে নিয়ে আসার পথে নষ্ট হয় একাংশ।

ব্যবসায়ীদের হিসাবে কেবল যশোরের সাতমাইল বাজারে দিনে নষ্ট হয় এক থেকে দেড় লাখ টাকার সবজি। আর হাটের দিন এই ক্ষতিক অংক দাড়ায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা।

সাতমাইল সবজি হাট ইজারাদার শহীদুল ইসলাম জানান, “যশোরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণা বলছে, হাট থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে নষ্ট হচ্ছে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ সবজি। আর বছরে আনুমানিক ক্ষতি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা। ”

যশোর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, “সরবরাহের সময় ক্ষতি পুষাতে ব্যবসায়ীরা খুচরা পর্যায়ে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে। এই অপচয় রোধ করা গেলে ভোক্তারা আরও কম দামে সবজি কিনতে পারতো-বলছেন গবেষকরা।”

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে