২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য লবন উৎপাদন শুরুর বাকী আর ক’টা দিন । আগের মজুদের এক লাখ ৬০ হাজার টনেরও বেশি লবন এখনও আছে মিল আর চাষীদের কাছে। তবুও লবন আমদানির পাঁয়তারা – অভিযোগ চাষীদের।
মাঠ পর্যায়ের চাষি ও মিল মালিকরা বলছেন, প্রতিবছর লবনের ঘাটতি দেখিয়ে কিছু ব্যবসায়ী থেকে লবন আমদানির ক্ষেত্র তৈরি করে । এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের লবনশিল্প।

বিসিক কর্মকর্তারা বলছেন, লবন আমদানি হলেও চাষীদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অশোধিত লবনের দাম কমছে। গেল বছর মনপ্রতি লবন ৪৫০ টাকায় বিক্রি করলেও,এবছর বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। কক্সবাজারের প্রায় ৪০ হাজার চাষী বাপ-দাদার পেশায় থাকতে চান বলেই লোকসান হলেও ছাড়ছেন না লবন চাষ। দুই বছরে অবিক্রিত লবণের মজুদ দেড় লাখ টনেরও বেশি। তবুও বিদেশ থেকে লবণ আমদানির সুযোগ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন বিসিক, এমন অভিযোগ কক্সবাজারের লবণচাষীদের। দেশীয় লবণ শিল্প রক্ষায় আমদানি বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন তারা।
এ বছর পাঁচ লাখ টন লবন আমদানি করে সরকার। গত সপ্তাহে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ীরা আরও এক লাখ মেট্রিক টন লবন আমদানির পক্ষে মত দেন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ













