খাবারসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন কুষ্টিয়া ও সিরাজগঞ্জের ক্ষুদ্র পোল্ট্রি খামারিরা। নির্দিষ্ট দামের তালিকা না থাকায় প্রতিদিনই লোকসানে পড়ছেন তারা। ক্ষতি পোষাতে না পেরে খামার বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে। সমস্যা সমাধানে সঠিক নীতিমালা প্রনয়ণের দাবি জানিয়েছেন খামারিরা।

সিরাজগঞ্জের পোল্ট্রি খামারগুলোতে আগে কয়েক হাজার মুরগি থাকলেও বর্তমানে সে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে কয়েকশতে। ২০০৭ সাল থেকে কয়েক দফা বন্যা ও বার্ড ফ্লুয়ের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেক খামারি। লোকসানের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক খামার। পাশাপাশি হঠাৎ মুরগির বাচ্চা, খাবার এবং ওষুধের দাম বেশি থাকায় ব্যয়ের তুলনায় ডিম আর মাংসের পর্যাপ্ত দাম পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে, মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারীরা।

খামার সচল রাখতে আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন খামারিরা। আর পোল্ট্রি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। এদিকে কুষ্টিয়ায় ব্রয়লার, লেয়ার ও সোনালী মিলিয়ে মুরগি খামার রয়েছে দুইশোর বেশি। কিন্তু উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় ডিম ও মাংসের সঠিক মূল্য না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে অনেক খামার। টিকে থাকা খামারগুলোতে উৎপাদন নেমে এসেছে অর্ধেকে। পোল্ট্রি খাতকে সচল রাখতে সঠিক নীতিমালা প্রণয়ণ ও বাজার ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন খামারীরা।

তবে খামারিরা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বলে জানালেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। লোকসানের কারণে বিভিন্ন জেলায় পোল্ট্রি খামার বন্ধ হওয়ায় সরবরাহ কমে গিয়ে ডিম আর মাংসের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিয়েছে।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে