সীমানা জটিলতায় ঢাকা সিটি করপোরেশনের নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না বনশ্রী ও মেরাদিয়ার কিছু এলাকার বাসিন্দারা। নিতে পারছেন না স্মার্ট কার্ডও। বিপরীতে তারা দিচ্ছেন না হোল্ডিং ট্যাক্স। ঢাকাকে দুই ভাগে বিভক্তির ৭ বছর পরও হয়নি এ সমস্যার সমাধান। কয়েক দফা বৈঠক ও কমিটি গঠনের পরও কবে নাগাদ আসবে সিদ্ধান্ত বলতে পারছেন না ডিসিসি কর্মকর্তারা।

রামপুরার উলন ও মেরাদিয়া মৌজা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডেরই আওতাভুক্ত বনশ্রী আবাসিক এলাকা। এর দক্ষিণে মেরাদিয়ার কিছু অংশ নিয়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড। এ কারণেই দক্ষিণ বনশ্রী ও মেয়াদিয়ার কিছু এলাকা নিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ ঢাকার মধ্যে তৈরি হয়েছে সীমানা জটিলতা। এতে সিটি করপোরেশনের নাগরিক সেবা পাচ্ছেন না বনশ্রী-মেরাদিয়ার বাসিন্দারা। দিচ্ছেন না হোল্ডিং ট্যাক্সও। তবে গত নির্বাচনে বনশ্রীবাসী ভোট দিয়েছেন উত্তরের মেয়রপ্রার্থীকে। থাকতেও চাচ্ছেন উত্তর সিটি করপোরেশনের সঙ্গেই। ২০১৪ সালে বনশ্রী ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে। তবে এখনও নির্ধারণ হয়নি উত্তরের ২২ ও দক্ষিণের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সীমানা। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে কয়েক দফা বৈঠকে বসেছে দুই সিটি করপোরেশন। করা হয়েছে একটি কমিটিও। তবে কবে নাগাদ এ সমস্যার সমাধান হবে তার সুনির্দিষ্ট জবাব নেই কারো কাছেই।

জনসংখ্যার চাপ ও নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে ২০০৯ সালের আইন সংশোধন করে ২০১১-র ৩০ নভেম্বর বিভক্ত হয় দুইটি সিটি। উত্তর ও দক্ষিণ ঢাকার সীমানা টানা হয় মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও থানা ধরে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে