আজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূস আজ রাত আটটার দিকে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হিসেবে শপথ নিতে পারেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূসের নাম প্রস্তাব করেছিল আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাতে সম্মতি দেন।
দেশে ফিরে ড. ইউনূস সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, আমার প্রতি যদি আস্থা রাখেন তাহলে কারও ওপর হামলা করা যাবে না। শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ রাতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হিসেবে শপথ নেবেন। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় ফ্রান্স থেকে শাহজালালে এসে পৌছান। তাকে স্বাগত জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েছেন গণ-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদসহ অন্য সমন্বয়কেরা।
দেশের পরিস্থিতি যখন টালমাটাল, অলিম্পিকের আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিতে অধ্যাপক ইউনূস ছিলেন প্যারিসে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নিতে বাংলাদেশ সময় বুধবার রাতে প্যারিস থেকে দেশের পথে রওনা হন তিনি।সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান রবিবার বলেছেন, এ সরকারের উপদেষ্টা হতে পারে ১৫ জনের মত। বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানিয়েছেন তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অন্য সমন্বয়কেরা। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী ও ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
এ’সময় তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এই স্বাধীনতা রক্ষা করতেই হবে। দেশের প্রতিটি মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। ড. ইউনূস এ সময় শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি শহীদ আবু সায়ীদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেন। তিনি অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের ভূমিকা নিয়েও প্রশংসা করেন। ড. ইউনূস বিমানবন্দরে নেমে উপস্থিত ছাত্র নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তিনি বাসায় যাবেন।














