তফসিল ঘোষণার পরও বাংলাদেশে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মার্কিন দপ্তর ও ব্যক্তি বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন। সবাই বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যপারে তাগিদ দিচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বের টুইটার) বার্তা দিয়েছে মার্কিন সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটি।
মার্কিন সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির অফিসিয়াল এক্স একাউন্টে করা এক পোস্টে জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার গণতান্ত্রিক অংশীদাররা বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর গভীরভাবে নজর রাখছে। এসময় স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ এবং সব দলের জন্য উন্মুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের প্রাপ্য বলে মন্তব্য করা হয়। এক্সের ওই পোষ্টের সঙ্গে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনও শেয়ার করা হয়েছে। এর আগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার(২১’শে নভেম্বর) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বিএনপির চলমান ‘সহিংস আন্দোলন’ নিয়ে তাদের অবস্থান পরিস্কার করেন। সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশের বেসরকারি এক টেলিভিশনের সাংবাদিক মিলারকে প্রশ্ন করেন- ‘বিএনপি যেভাবে ‘সহিংসতাকে’ বেছে নিয়েছে, আপনার কী মনে হয় না এর মাধ্যমে দলটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে খর্ব করছে?
জবাবে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র মিলার বলেন, আমরা বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চাই। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হোক সেটাই আমরা চাই। ফের মার্কিন নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মিলার বলেন, আমরা আমাদের এই নীতির বিষয়ে এর আগেও বেশ কয়েকবার স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি। এর আগে ২০ নভেম্বর বাংলাদেশি এক সাংবাদিকের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে করা প্রশ্নের উত্তরে মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ দলকে সমর্থন করে না। শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন- বাংলাদেশের জনগণ যা চায় যুক্তরাষ্ট্রও তা চায়। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে ওই লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকার, বিরোধী দল, নাগরিক সমাজসহ সব অংশীদারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। আরেক প্রশ্নের উত্তরে ম্যাথিউ মিলার বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তাকে বারবার টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, আমাদের লক্ষ্য, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।














