প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ভোট চোরদের কখনোই আর ক্ষমতায় আনবে না।’ একমাত্র আওয়ামী লীগই দেশে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন বিএনপি দেশের উন্নয়নে খুশি হয় না বলেই নির্বাচন সামনে রেখে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। বিকেলে(১৪’ই অক্টোবর) রাজধানীর কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভার এসব কথা বলেন, দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া ৯৬ এ ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিলো। এদেশের মানুষ ভোট চোরকে ক্ষমতায় থাকতে দেয়নি। বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বন্দুকের নলের মুখে ক্ষমতায় বসেছিলো। সামরিক বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে। বিএনপির জন্মই হত্যার মধ্য দিয়ে হয়েছে। বহু সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত দেশে চক্রান্ত-যড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এটাই তাদের কাজ। মানুষের ও দেশের উন্নয়ন তারা দেখতে পারেনা। ক্ষমতায় থেকে জনগণের সম্পদ লুট করেছে, মানুষ হত্যা করেছে।’
আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা করে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ইস্যুতে অনশনের নামে বিএনপি নাটক করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার নির্দেশে দেশে অগ্নি সন্ত্রাস হয়েছে। বিএনপি দেশের ক্ষতি করতে পারে, ধংস করতে পারে, ভালো কিছু করতে পারেনা। খুনির দল বিএনপি মানুষের কল্যাণের কাজ করতে পারেনা। তারা জঙ্গী লালন করতে পারে। খালেদা জিয়া বাংলাদেশ চিনেনা, মনে মনে পাকিস্তানে আছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। জাতির পিতার হত্যাকারীকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলো। এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তাদের অবদান নেই। ভোট, মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা তাদের কাজ’। গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করে তারা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়, বর্তমান সরকার তা প্রমাণ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।














