উৎসব-ঈদে ভোজন বিলাসী বাঙালির রসনার জন্য তো বটেই, নিত্যদিনেরর রান্নার চাহিদা মেটাতে মসলার কোন বিকল্প নেই। রসনার অত্যাবশ্যকীয় এসব উপাদানের প্রয় সবই আমদানি করতে হয়।

মসলার আন্তর্জাতিক বাজারেও দামে হের ফের নেই অনেক দিন হলো। চাহিদা পূরণে দেশের বাজারেও আছে পর্যাপ্ত সরবরাহ। তাই এবার ঈদে মসলার দাম বাড়ার কোন কারণ দেখছেন না আমদানিকারকরা। মসলার আমদানি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক আর অগ্রীম আয়করসহ যে ৬৯ শতাংশ কর দিতে হয় তাও স্থির দীর্ঘদিন ধরে। চীন, ভারত, গুয়েতেমালা, ব্রাজিল ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকাসহ ২০ থেকে ২২ টি দেশ থেকে মসলা আসে বাংলাদেশ।

প্রতিকেজি ভারতীয় জিরার দাম ৩২০ টাকা। মানভেদে এলাচের দাম কিছুটা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫শ টাকা থেকে ১৯শ টাকা, জয়ফল ৪৫০ টাকা লবঙ্গ ৯২০ টাকা, দারুচিনি ২৫০, কিসমিস ৩২০ টাকা, কালমরিচের দাম ৪৫০ টাকা।মসলার সবচেয়ে বড় মার্কেট রাজধানীর মৌলভীবাজার। এই বাজারে, ঈদের আগে পাইকারি বিক্রির প্রথম দফা শেষ হয়েছে রোজা শুরুর আগেই। আর পাইকাররা বলছেন, অনেক আগেই দাম বেড়েছে মসলার তাই এখন আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

তবে খুচরা দোকনে মসলার বেচাকেনা এখনো শুরু হয়নি। তাই ঈদের বেচাকেনার অপেক্ষায় আছেন খুচরা দোকানীরা। কোরবানীর ঈদের তুলনায় রোজার ঈদের মসলা চাহিদা থাকে সামন্যই।

হুমায়রা তাবাসসুম
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে