রাজধানীর বাজারে একমাত্র গরু আর খাসির মাংস ছাড়া আর কোনো পণ্যই সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না। রমজানের অজুহাতে ব্রয়লার বা দেশি মুরগী দু’টোর দামই চড়া। পেঁয়াজের দাম কমলেও মানছেন না বিক্রেতা। রমজানের প্রথম দিনে সবজির বাজারে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

দেশি গরুর মাংস ৪৫০ টাকা নির্ধারন করে দিয়েছে সিটি করপোরেশন। বিদেশী হলে এর দাম আরো কম। খাসির মাংস ৭২০। তবে দেশি -বিদেশী গরুর মাংসের পার্থক্য করা বা ছাগলের মাংস চেনা ক্রেতার জন্য সহজ কাজ নয়।

ব্রয়লার মুরগীর নির্ধারিত দাম ১৪২ টাকা কেজি। কিন্তু এর দাম ১৬৫ টাকা পর্যন্ত রাখছেন বিক্রেতারা। দেশি মুরগী ৫০০ টাকা কেজি। সোনালী ৩০০ টাকা। তবে বিক্রেতা অস্বীকার করলেও বাজার জুড়েই দেশি মুরগীর খাঁচায় সোনালী জাতের মুরগী দেখা গেছে।

গেল পরশু সর্বশেষ বাজার দর হালনাগাদ করা হয়েছে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে। তবে এই দামের সাথে বাজার পরিস্থিতির কোন মিল নেই। একই ছাদের নিচে কেউ পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৪৫ টাকা কেজি। কেউ ৪০, কেউ ৫০। দেশি শসা ও পটল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। বেগুন ৮০ টাকা। ঢেঁড়স ৬০ টাকা দরে।

আর মাত্র কয়েক হাত দূরে দোকানেই এসব সবজির দাম কেজি ভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কম। যদিও এই দামও অনেক বেশি। বাজার নজরদারিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতার কারণেই প্রতিদিন পকেট কাটা যাচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে