তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে যতটা সফল বাংলাদেশ, ঠিক ততোটাই পিছিয়ে রয়েছে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে। সময়োপযোগী নীতিমালার অভাবে চিহ্নিত হচ্ছে না অপরাধ, ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে অপরাধীরাও। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’র শেষ দিনে উঠে এসেছে সার্বজনীন মতামত।
অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগে দেশীয় মাধ্যম তৈরির পাশাপাশি তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতের মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে নিরাপদ বাংলাদেশ। মাত্র দুই দশকে পুরো বিশ্বকেই খোলনলচে বদলে দিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির যাদুমন্ত্র। পাল্টে গেছে মানুষের চিন্তাধারা, দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে যুক্ত হয়েছে নিত্যনতুন সব প্রযুক্তিপণ্য। সমান্তরালেই সমাজব্যবস্থা কিংবা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় যুক্ত হয়েছে নতুন চিন্তার ভাজ।

পত্রপত্রিকায় প্রায়ই দেখা মেলে সামাজিক যোগাযোগের নানা মাধ্যম ব্যবহার করে অত্যাধুনিক সব হয়রানির খবর। এমন দুঃশ্চিন্তার পরও, রাজধানীতে আয়োজিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’র মাধ্যমে আশার আলো দেখছেন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীরা।
অনেকেরই মত, আইনশৃঙ্খলাসহ সরকারের স্পর্শকাতর বিভিন্ন দপ্তরে রয়েছে প্রযুক্তি দক্ষতা সম্পন্ন জনবলের অভাব। দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে অ্যাপসভিত্তিক সেবা প্রদানেও বিদেশ নির্ভরতা কাটানোর আহ্বান তাদের।
সব পক্ষই মনে করেন, নিরাপদ বাংলাদেশ নিশ্চিতে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি দরকার তথ্য প্রযুক্তি খাতের কাঠামোগত পরিবর্তদেশন।
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ




























