রাডার ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ফ্রান্সের সাথে চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ জন্য দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে টেকনিক্যাল কমিটি। অত্যাধুনিক রাডার ব্যবস্থায় দেশের আকাশসীমার যেসব এলাকা এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে সেখানে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি, এসব এলাকায় ফ্লাইং বা ওভার ফ্লাইংয়ের জন্য এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে আসবে বৈদেশিক মুদ্রাও।
দেশের রাডার ব্যবস্থা আধুনিক না হওয়ায় বঙ্গোপসাগরের বিস্তির্ণ এলাকার আকাশপথ নিয়ন্ত্রণে নেই বাংলাদেশের। এতে একদিকে যেমন ঝুঁকিতে রয়েছে সার্বভৌমত্ব, অন্যদিকে বিপুল রাজস্বও হারাচ্ছে দেশ।

বর্তমানে ঢাকায় যে রাডার রয়েছে সেটি দিয়ে নেভিগেশন করা যায় ২শ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। আর চট্টগ্রামের টিতে সক্ষমতা ২৫০ নটিক্যাল মাইল। দুটির বয়সই তিরিশের বেশি। এগুলো নিয়ন্ত্রণে যে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ব্যবহার হয় সেটিও পুরানো।
২০১২ সালে মিয়ানমার ও ভারতের কাছ থেকে সমুদ্রসীমা আদায় হলেও এর আকাশসীমা এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। ওই সীমানায় বিদেশি কোনো উড়োজাহাজ ঢুকে পড়লেও তা জানতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।
Sonar Screen For Submarines And Ships. Radar Sonar With Object On Map. Futuristic HUD Navigation monitor
সম্প্রতি রাডার ব্যবস্থা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে ফ্রান্সের সাথে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণের বাইরের আকাশসীমায় চলা উড়োজাহাজ থেকে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














