রাজশাহীতে আজ থেকে আম পাড়ার অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। কোনো বাগানে আম আগে পাকলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর পর তা পাড়তে হবে। ফলন আশানুরূপ হলেও করোনা পরিস্থিতিতে বাজারজাত করা নিয়ে শঙ্কায় আছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কেউ অপরিপক্ক আম যাতে বাজারজাত করতে না পারে সে বিষয়ে তদারকি করবে প্রশাসন।

অপরিপক্ক আম ক্যামিকেল দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি রোধে কয়েক বছর ধরেই আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। নভেল করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেই চাষি ফল গবেষকদের সঙ্গে আলোচনা করে এবার রাজশাহীতে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল।

শুরুতেই বাজারে আসছে গুটি জাতের আম। ২০’ই মে থেকে গোপালভোগ, লখনা ও রানীপছন্দ ২৫’ই মে, ২৮’ই মে থেকে খিরসাপাত ও হিমসাগর আম পাড়া যাবে। ল্যাংড়া ৬’ই জুন, আম্রপালি ও ফজলি ১৫’ই জুন এবং সবশেষ ১০’ই জুলাই বাজার জাত শুরু হবে আশ্বিনা ও বারি-৪। তবে বেঁধে দেয়া সময়ের আগে কোনো বাগানে আম পাকলে তা প্রশাসনকে জানিয়ে পাড়তে হবে। এ বছর আমের আশানুরুপ ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফল গবেষকেরা। তবে করোনা কারণে লকডাউন থাকায় বাজারজাত নিয়ে দুঃচিন্তায় চাষিরা।

আম কৃষিজাত পণ্যের আওতায় পড়ায় অন্য জেলায় পাঠাতে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস জেলা প্রশাসকের। এর পাশাপাশি অনুমতি নিয়ে কুরিয়ারের মাধ্যমে অন্য জায়গায় পাঠানো যাবে আম।

রাজশাহী জেলায় এ বছর ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ১০ হাজার টন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে