ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতাঃ শ্রমিক সংকট সহ নানান কারণে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের চাতাল মিল গুলো। মিল মালিকরা বিপুল পরিমান অর্থ এই ব্যবসায় বিনিয়োগ করে বর্তমানে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। তারা বলছে, শ্রমিকের সংকট বর্তমানে তীব্র হয়ে দাড়িয়েছে। এছাড়াওশ্রমিকরা বিভিন্ন মালিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা দাদন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারনে পথে বসতে হচ্ছে মিল মালিকদের। তার উপরে রয়েছে চড়া সুদে ব্যাংক ঋনের বোঝা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,আশুগঞ্জ উপজেলার আলম নগর,সোনারামপুর,বাহাদুরপুর,কামা
এছাড়াও শ্রমিকের সংকট বর্তমানে তীব্র হয়ে দাড়িয়েছে। বাজারে দ্রব্যমূল্য বেশী হওয়ায় এবং চাতাল শ্রমিকদের মজুরী কম হওয়ায় ভিন্ন পেশা খুজছেন তারা। যার কারনে বর্তমানে মিলে শ্রমিকের সংখ্যা কমে আসছে । বিভিন্ন মিল মালিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা দাদন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারনে পথে বসতে হচ্ছে মালিকদের।
তবে শ্রমিকরা বলছে কাজের বিনিময়ে তাদের যে মজুরী প্রদান করা হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চালানো কঠিন। তাই মজুরি বাড়ানোর দাবী জানান তারা। এছাড়া বর্তমানে ধান ও চালের সাথে বাজারমূল্যের মিল নেই। ব্যবসায়ীরা বলছে বর্তমানে ধানের বাজারের মূল্য বেশি। আর চালের মূল্য কম। ধান প্রক্রিয়াজাত করণ শেষে চাল রুপান্তর করা পযর্ন্ত লোকসান গুণতে হয় বলে দাবি করেন মিল মালিকরা।চাতালকল ব্যবসায়ীরা বলেন,বর্তমানে ব্যবসায় যেভাবে লোকসান হচ্ছে এ অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো গতি থাকবে না । ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় এরই মধ্যে আশুগঞ্জের অনেক ব্যবসায়ী ব্যবসা গুটিয়ে চলে গেছেন।
চাতাল কল মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি, মো. জিয়াউল করিম
জহির সিকদার
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














