দেশে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকার পরও হঠাৎ বাজারে ঊর্ধ্বগতি। মিনিকেট, নাজিরশাইল, জিরাশাইল, আটাশ চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৬ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। মিল-মালিকেরা বলছেন, বোরো মৌসুমে উৎপাদিত চাল শেষ হয়ে আসায় সংকট দেখা দিয়েছে। তবে, কোনো মিল-মালিক কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অগ্রহায়ণে আমন ধান কাটার ধুম পড়েছে সারা দেশে। কৃষি বিভাগের হিসাবে, চলতি অর্থবছরে ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার হেক্টর জমিতে এক কোটি ৫৩ লাখ ৫৭ হাজার টন আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্য।সেই ধান এখনো বাজারে না এলেও কৃষি বিভাগের হিসাবে, এই মুহূর্তে দেশে উদ্বৃত্ত আছে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টন চাল। তবু বাজারে হঠাৎ অস্থিরতা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের চিকন নাজিরশাইল ও মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা।আর মোটা চালে ৬ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে ও বাবুবাজারের আড়তে পর্যাপ্ত চাল থাকলেও হঠাৎ দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকাররাও মোকাম মালিকদের কাছ থেকে বেশি দরে চাল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।মিল-মালিকেরা বলছেন, বোরো মৌসুমে উৎপাদিত জিরাশাইল, উনত্রিশ ও আটাশ চালই ব্যবহার করা হয় সারা বছর। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে সাত মাস, তাই কমেছে এসব চালের মজুত। অন্যদিকে, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা ধানের পরিমাণও কমে এসেছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকার পরও অতি মুনাফার লোভে কোনো মিলার বাজারে সংকট সৃষ্টি করলে লাইসেন্স বাতিল হবে।নভেম্বর থেকেই কৃষকের কাছ থেকে এক লাখ টন ধান সংগ্রহের চিঠি এরই মধ্যে ইস্যু করেছে কৃষি অধিদপ্তর।
ইন্ডিপেনডেন্ট থেকে














