শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে মণ্ডপে মণ্ডপে আর পাল পাড়ায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ। নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই মৃৎ শিল্পীদের। পূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।২৮ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মধ্যে দিয়ে মর্ত্যলোকে আবাহন করা হবে দেবী দুর্গাকে। ৪ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজায় দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে শারদীয় দূর্গোৎসব।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান এ উৎসব উপলক্ষ্যে দেশের সব মন্দিরেই এখন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিমা তৈরি আর রং তুলির আঁচড় দেয়ার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা শিল্পীরা। মাটি, খড়, বাঁশ, আর সুতা দিয়ে সুনিপুণ হাতে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরি করছেন সিরাজগঞ্জের মৃৎ শিল্পীরা।দেবীর আগমন উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের পাশাপাশি নেত্রকোণা, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর ও মাদারীপুরসহ সারাদেশেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কারিগররা।
নওগাঁ ও কুড়িগ্রামে গতবছরের চেয়ে এবার পূজা মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে। গড়ে ১০০ টাকা মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি প্রতিমা শিল্পীরা। আকার ভেদে দেবীর প্রতিমা পাওয়া যাচ্ছে ১২ থেকে ২০ হাজার টাকায়।এদিকে, প্রতিমা তৈরি শেষ হওয়ার আগেই বেনাপোলের পুটখালি মণ্ডপ ও পচুয়ার বাওড়ে ভিড় করছেন হাজারো মানুষ। দৃষ্টিনন্দন এসব প্রতিমা নজর কাড়ছে সবার।সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।এ বছর দেবী দুর্গা মর্ত্যে আসবেন ঘোড়ায় চড়ে, ফিরবেনও ঘোড়ায় চড়েই। ৮ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














