অনলাইনে কেনাকাটা ও সেবায় অহরহ ঘটছে প্রতারণা। বিক্রি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অভিযোগও। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শাস্তি বা জরিমানার আওতায় আনা গেলেও ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত নীতিমালা বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে, দেশে বর্তমানে ২৩ হাজার ফেইসবুক পেইজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চলছে অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা। বিভিন্ন ধরনের সেবাও মিলছে ওয়েসবাইটের মাধ্যমে।
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যেমন বাড়ছে অনলাইনে কেনাকাটা তেমনি বাড়ছে ক্রেতাদের অভিযোগও। অনলাইনে কেনাকাটা নিয়ে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬৩০টি অভিযোগ পায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। পরের বছর এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৫টিতে। দারাজ ও উবারের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনেক ক্ষেত্রেই নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে। কিন্তু, নানা সীমাবদ্ধতার কারণে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যাচ্ছে জরিমানা বা শাস্তির বাইরে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইনে কেনাকাটা বা সেবায় সরকারের নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। তাই ঘটছে নানা ধরনের অনিয়ম। অনলাইনের সেবায় অনিয়ম রোধে দ্রুত নীতিমালা বাস্তবায়নের তাগিদ তাদের। অনিয়ম রোধে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি প্ল্যাটফরমে আনার দাবি ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে ই-কমার্স নীতিমালা হলেও পরে তাতে কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে। এ কারণে নীতিমালা বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














