অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স দেয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ। ইতিমধ্যে পাঠাওসহ ৬টি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আবেদন করেনি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান উবার। শর্ত পূরণ করে লাইসেন্স না নিলে কোন প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম চালাতে দেবে না বিআরটিএ। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা।

২০১৬ সালের শেষের দিকে ঢাকায় শুরু হয় রাইড শেয়ারিং অ্যাপের ব্যবহার। তখন বৈধতা না পেলেও ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে এই সার্ভিস বন্ধ করতে পারেনি সরকার। পরে ২০১৮ সালের ১৫ই জানুয়ারি ‘রাইড- শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা’ অনুমোদন করে সরকার, যা ওই বছরের ৮ মার্চ থেকে কার্যকরের কথা ছিল। কিন্তু সে সময় ১৬টি কোম্পানি আবেদন করলেও নীতিমালার শর্ত পূরণ না করতে না পারায়, কাউকেই লাইসেন্স দেয়া সম্ভব হয়নি।ঢাকা শহরে প্রায় ২০টির মত প্রতিষ্ঠান অ্যাপভিত্তিক সেবা পরিচালনা করছে। নীতিমালার আওতায় তাদের লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। পহেলা জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে শর্তপূরণ সাপেক্ষে লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে বলে জানান বিআরটিএ’র পরিচালক মাহবুব-ই রব্বানি

অ্যাপভিত্তিক এই সেবা গুলোর বৈধতা দেয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। তবে দুর্ঘটনার কমাতে পাঠাও মোটারসাইকেলের ব্যাপারে আরো সতর্কা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ সালেহ উদ্দিন।রাইড শেয়ারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও এতদিন বিআরটিএ কোন ব্যবস্থা নিতে পারছিল না। লাইসেন্স দেয়া হলে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা সহজ হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

তথ্যঃ বৈশাখী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে