দেশের ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শুরু করে ইসলাম ধর্ম শিক্ষার মাদ্রাসা গুলোতেও বাংলা পাঠ চর্চায় আছে উদাসীনতা। নগণ্য ব্যতিক্রম ছাড়া উচ্চশিক্ষার স্তরে পাঠদান হয় ইংরেজীতে। বিদেশী ভাষার নিয়মিত আগ্রাসন দেশের নিজস্ব সংস্কৃতিকে  হুমক তে ফেলছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজধানীর ধানমণ্ডি টিউটোরিয়ালের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র এই কিশোর। বয়স তের। ই্ংরেজী মাধ্যমে পড়ছে। বাংলা কোন কবির নাম, ষড়ঋতুর নাম, বার মাসের নাম এমনকি কোন সাহিত্যিকের নাম জানা নেই তার। এসব কখনো পড়ানো হয় না তার স্কুলে, জানালেন এ শিক্ষার্থী। বাংলা গান, সাহিত্যে কোন আগ্রহ তৈরি হয়নি তার, শুধু ইংরেজী গানের প্রতি অনুরাগ।

এই কিশোরের মতো নতুন প্রজন্মের অসংখ্য শিক্ষিত ছেলে মেয়ে আছে। যার জন্য এই কোমল শিশু শিক্ষার্থীরা নয়, দায়ী এলোমেলো শিক্ষাব্যবস্থা, বলছেন শিক্ষাবিদরা। চিকিৎসা বিদ্যাসহ, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষার প্রায় সব মাধ্যমের পাঠ ইংরেজিতে।  আদালতের রায়ও হয় ইংরেজী ভাষায়। স্কুল , কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণে ভিনদেশী ভাষার ব্যবহার। বাংলা ও বাঙ্গালীর স্বকীয়তা রাখতে নিজস্ব উদ্ভাবনী দরকার, যান অভাব শুধু আবেগ দিয়ে নয়, মাতৃভাষার গুরুত্ব ও চেতনাকে হৃদয়ে স্থান দিয়ে অনুধাবন করে সমৃদ্ধ করার কাজ করতে হবে বলে মত এই শিক্ষাবিদদের।

উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক অনুবাদ, নতুন নতুন পরিভাষা তৈরি করতে পারলে বাংলা ভাষার কদর আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাড়বে বলে আশাবাদ ভাষা নিয়ে চিন্তাশীল ব্যক্তিত্বদের।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে