মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্কার্স পার্টির দ্বন্দের অবসান ঘটেছে।
শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ দ্বন্দের অবসান ঘটে। ফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সাহিদুজ্জামান খোকনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। অপরদিকে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী হিসেবে কমরেড নুর আহমদ বকুলকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বন্দের সৃষ্টি হয়। ওয়ার্কার্স না আওয়ামী লীগ এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা গুঞ্জনও শুরু হয়। জানা গেছে, মেহেরপুর-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাহিদুজ্জামান খোকন। এ আসনটিতে গেল দুই বছর ধরে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হতে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য কমরেড নুর আহমদ বকুল। দলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে এ আসনটিতে নুর আহমেদকে মনোনয়ন দেয়ার জোর দাবি করা হয়। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি আসন ওয়ার্কার্স পার্টিকে দেয়া হচ্ছে প্রচার হলে নাটোর-১ ও মেহেরপুর-২ আসনের যেকোন একটি আসন দিতে হবে এমন আশায় অনড় ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টি নেতৃবৃন্দ। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার দুপুরে ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে পাঁচটি আসনের সমঝোতা হয় আওয়ামী লীগের। এর মধ্যে মেহেরপুর-২ আসন নেই। ফলে এ আসনটিতে আওয়ামী লীগ থেকেই নৌকা প্রতীকের প্রার্থী থাকছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড আব্দুল মাবুদ বলেন, ‘মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আমাদের আর কোনো আশা নেই। কেন্দ্রীয়ভাবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নেতারা তা আমরা মেনে নেব। আমাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও আনুষ্ঠানিকভাবে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করা হবে।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাহিদুজ্জামান খোকন বলেন, ‘ওয়ার্কার্স পার্টি আমাদের জোটের অন্যতম শরিক। শুধু ওয়ার্কার্স পার্টি নয় ১৪ দলীয় জোট এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে নির্বাচন পরিচালনা করার চেষ্টা করছি।’
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














