টঙ্গীতে তাবলিগ জামায়াতের দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত এক নিহত হয়েছেন। আহত দুশোরও বেশি। বিশ্ব ইজতেমা পরিচালনাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুপক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের পর তা রূপ নেয় সংঘর্ষে। এতে বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজটের ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। এদিকে, ইজতেমা মাঠ খালি করার নির্দেশ দিয়েছে গাজীপুর প্রশাসন।
শুক্রবার টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে জমায়েতের কর্মসূচি দেন মাওলানা মোহম্মদ জুবায়ের ও দিল্লির মাওলানা মোহম্মদ সাদের অনুসারীরা। ভোরে মুখোমুখি অবস্থান নেয় দুপক্ষ। বেলা ১১টার দিকে কামারপাড়া থেকে মুসল্লিরা লাঠিসোঁটা হাতে ইজতেমা ময়দানের এক নম্বর গেইটে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। আধা ঘণ্টা ধরে চলে পাল্টা-পাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ।
মাঠ দখলে রাখতে সকাল থেকে ইজতেমা ময়দানে অবস্থান নেয় একপক্ষ; আরেক পক্ষ ময়দানের দিকে আসতে থাকা প্রতিপক্ষের ওপর সড়কে হামলা চালায়। দুপক্ষের সংঘর্ষে ঢাকা-গাজীপুর সড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। দুপুরের দিকে সাদপন্থি ও কওমিপন্থিদের মধ্যে ব্যাপক সংর্ঘষ ছড়িয়ে পড়ে ইজতেমা ময়দানের আশেপাশে ও বিমানবন্দর সড়কে। পরে পুলিশ গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। দুই পক্ষের পাল্টা-পাল্টি হামলায় নিহত হন মুন্সিগঞ্জের ইসমাইল মণ্ডল। আহত হন দুই শতাধিক। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত গাজীপুর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবির পরিদর্শক একেএম কাওসার চৌধুরী বলেন, এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন। নিহত ব্যক্তির মাথায় আঘাত রয়েছে। ধারালো কিছু বা বাঁশজাতীয় কোনো লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৫ নভেম্বর দুপক্ষের বিরোধের কারণে এ বছরের বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করে সরকার।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














