শরীয়তপুরের প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে দ্রুতগতির স্পিডবোট ব্যবহার করে চলছে মাছ শিকার। বিক্রি হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা তীরের বিভিন্ন বাড়ি থেকে। এদিকে, লক্ষ্মীপুর ও বরিশালে পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি ইলিশ শিকার।

শরীয়তপুরের জাজিরার মাঝিরঘাট, বাবুরচর ও সিডারচর এলাকায় অর্ধশত স্পিডবোট দিয়ে চলছে ইলিশ শিকার। নৌকা নিয়ে মাছ ধরলে প্রশাসনের হাতে আটক হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তাই, এই ব্যবস্থা। প্রতিটি বোটে দিনে প্রায় ১২ থেকে ১৫ কেজি ইলিশ ধরা পড়ে। যা নদী তীরের অন্তত ১২টি গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িতে মজুদ করে বিক্রি করা হয়। এক বাসিন্দা বলেন, ২টি কেজির ইলিশের হালি চারশ টাকা।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, স্পিডবোট নিয়ে মাছ ধরলে সেগুলো জব্দ করা হবে। লক্ষ্মীপুরে প্রায় ৫০ হাজার জেলের মধ্যে নিবন্ধিত ২৭ হাজার। তাদের অভিযোগ, ২০ কেজি হারে চাল দেওয়ার কথা থাকলে অনেকেই তা পাননি। তবে, চাল বিতরণে অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে মৎস্যবিভাগ।

বরিশালে জেল-জরিমানার পরও লুকিয়ে চলছে ইলিশ শিকার। তবে, অভিযান সফলে তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে ৭ অক্টোবর, যা শেষ হবে ২৮ অক্টোবর।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে